Academic Calendar of Department of Craft

কারুশিল্প বিভাগ (১৯৬৭)

শিল্পকলার ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় প্রাচীন কাল হতে কারুশিল্প বাংলাদেশে এক গৌরবোজ্জ্বল স্থান দখল করে আছে। এ সমস্ত কারুশিল্পের মধ্যে রয়েছে মসলিন, জামদানী শাড়ি, নকশি কাঁথা, শীতল পাটি, পটচিত্র, সখের হাঁড়ি, লক্ষ্মীর সরা, কাঠের তৈরি সামগ্রী, পুতুল ইত্যাদি। আমাদের বাংলাদেশের বর্তমান কারুশিল্পের অতি ক্ষুদ্র ও নগণ্য অংশ আধুনিক কারুশিল্প। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের কারুশিল্প বিভাগের ইতিহাসও খুব বেশি দিনের নয়। ১৯৪৮ সনে প্রতিষ্ঠিত সরকারী চারুকলা ইনিস্টিটিউটের চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয় থেকে রূপান্তরিত বর্তমান চারুকলা অনুষদের ইতিহাস ৬৭ বছর। এই প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকেই ছাত্রদের পাঠ্যসূচিতে কারুশিল্প বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল। চারুকলা প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের একান্ত ইচ্ছা ছিল অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে কারুশিল্প বিষয়েও ছাত্র-ছাত্রীদের পূর্ণাঙ্গ এবং বাস্তবমুখী শিক্ষাদানের, কিন্তু সীমিত সুযোগ ও উপযুক্ত শিক্ষকের অভাবে সেই সময় তা পারেননি। বর্তমান কারুশিল্প বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা শিল্পী জুনাবুল ইসলাম ১৯৬৮ সনে কারুশিল্প বিভাগের শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এ বিভাগে সূচনালগ্নে ছাত্রদের কারুশিল্পের বিষয় হিসাবে টাই এন্ড ডাই ও বাটিক শিক্ষা দেয়া হত। অতঃপর এই বিষয় দুটি প্রাক্‌ ডিগ্রি এবং বিএফএ শেণির সাবসিডিয়ারি বিষয় হিসেবে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হয়। এরপর ১৯৮২ সনে বিএফএ এবং ১৯৮৯ সনে এমএফএ প্রবর্তিত হয়। উল্লেখ্য যে, ১৯৯২-৯৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে সম্মান কোর্স চালু হয়।

কারুশিল্প বিভাগের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে গতানুগতিক কারুশিল্পের বিপরীতে আধুনিক ও সৃজনশীল কারুশিল্পের যাবতীয় বিষয়কে তুলে ধরে এ শিল্পকে ব্যবহারিকরূপে একটি উন্নত পর্যায়ে কীভাবে নিয়ে যাওয়া যায় এ বিষয়ে ছাত্রদের উপযুক্ত শিক্ষা দেয়া। এ বিভাগের পাঠ্যক্রম তথা শিক্ষা কার্যক্রমকে এমনভাবে বিন্যাস করা হয়েছে শিক্ষার্থীরা যেন কারুশিল্পের প্রধান দুটি দিক- (ক) ব্যবহারিক উদ্দেশ্য নিয়ে সৃষ্ঠ কারুশিল্প এবং (খ) শুধুমাত্র সৃজনশীল কারুশিল্প, এই উভয় বিষয়ে সম্যক জ্ঞান নিয়ে সুষ্ঠুভাবে শিল্পচর্চা করতে পারে। এছাড়া দেশে ব্যবহারিক কারুশিল্পের বাণিজ্যিক দিক চিন্তা করেও ছাত্র-ছাত্রীরা যেন অনুরূপ আধুনিক কারুশিল্প পণ্য প্রস্তুত করতে পারে সেই সমস্ত বিষয়ে শিক্ষা দান করা হয়ে থাকে। বাটিক, ট্যাপেস্ট্রি, সাধারণ বয়ন, কাঠের কাজ, পাতিনা, স্ক্রিন প্রিন্ট, এপলিক, ড্রইং, ডিজাইন, স্কেচ প্রভৃতি এ বিভাগের বিষয়।

 

Department of Crafts Introduction (1967)

As a continuation of art history, craft is one of the majestical art-forms in Bangladesh since ancient period. Craft is a versatile art form. It includes muslin (a cotton fabric of plain weave), jamdani sarees (one of the finest muslin textiles of Bengal), nokshi katha ( a type of embroidered quilt, is a centuries-old Bengali art tradition in Bangladesh), shitol pati (handmade mat of rattan or murta plant with traditional design), patachitra ( a general term for traditional, cloth-based scroll painting), shakher hari (decorated pots), Laxmi sara (a pot with the image of the deity of Laxmi), wood made materials, dolls etc. Modern craft-art of Bangladesh is a very small part of the whole. The history of the craft department of the Dhaka University fine arts faculty is also of some years only. The present faculty of fine arts was established just 67 years ago in 1948 as government fine arts institute. From the very beginning of this institute craft was included in the syllabus.

Along with other subjects Shilpacharya (the great teacher of art, an honorary appendage) Zainul Abedin, the founder of the institute had a wish to provide a realistic and complete education on craft. But as that time he couldn’t achieve his target due to lack of scope and capable teachers. Artist Junabul Islam is the founder of the present craft department. In 1968 he was appointed as a teacher of craft department. At the beginning the students were trained in `tie and dye’ and `batik’. After that these two subjects were included in the syllabus of Pre-degree and BFA (Bachelor of fine arts) as a subsidiary. BFA and MFA course under this department were started in 1982 and 1989 respectively. And the honors course was introduced under this department in 1992-1993 sessions. 

The main motto of this department is to uphold and promote the modern and creative form of the traditional craft practices. It also involves the development of this art form. And from these perspectives it is operating its academic program. The syllabus of this department is organized in such a way that the students can get a vivid knowledge on the two main parts of craft i.e. a) applied craft and b) creative craft. The department tries to make sure in building up the capability of the students in both sides. The commercial opportunity of the applied craft is also a major consideration of the department. The syllabus of the department includes batik, tapestry, general weaving, wood work, patina (metal work), screen print, appliqué, drawing, design, sketch etc.


কারুশিল্প বিভাগ

(১লা জানুয়ারি ২০১৮-৩১শে ডিসেম্বর ২০১৮)

ক্রমিক নং

শ্রেণি (বর্ষ/পর্ব)

শিক্ষাবর্ষ

ক্লাস শুরু

ক্লাস শেষ

পরীক্ষা শুরু

পরীক্ষা শেষ

 

০১

এমএফএ ১ম পর্ব

২০১৭-১৮

২৭-০৮-২০১৭

০৫-০৪-১৮

০৩-০৫-১৮

৩১-০৫-১৮

 

০২

বিএফএ সম্মান ৪র্থ বর্ষ

২০১৭-১৮

১১-০৯-২০১৭

০৫-০৪-১৮

০২-০৫-১৮

৩১-০৫-১৮

 

০৩

এমএফএ ২য় পর্ব

২০১৭-১৮

০১-০৮-২০১৭

৩১-০৫-১৮

০১-০৭-১৮

৩১-০৭-১৮

 

০৪

বিএফএ সম্মান ৩য় বর্ষ

২০১৭-১৮

১১-০৯-২০১৭

৩১-০৫-১৮

০১-০৭-১৮

৩১-০৭-১৮

 

০৫

বিএফএ সম্মান ২য় বর্ষ

২০১৭-১৮

২৯-১০-২০১৭

৩১-০৭-১৮

০২-০৯-১৮

৩০-০৯-১৮

 

০৬

বিএফএ সম্মান ১ম বর্ষ

২০১৭-১৮

০১-১২-২০১৭

০৭-০৮-১৮

০২-০৯-১৮

৩০-০৯-১৮

 

 

*  বিএফএ ২য় বর্ষ, ৩য় বর্ষ, ৪র্থ বর্ষ ও এমএফএ ২য় পর্বের সকল ক্লাস পূর্ববর্তী শ্রেণির পরীক্ষা শেষ হবার ৭ দিন পর থেকে শুরু হবে। এমএফএ ১ম পর্বের ক্লাস পূর্ববর্তী বিএফএ ৪র্থ বর্ষের পরীক্ষা শেষ হবার ২ মাসের মধ্যে শুরু হবে।

* * সমন্বিত তত্ত্বীয় শ্রেণি পরীক্ষা সমূহ (টিউটোরিয়াল/এসাইনমেন্ট ও মৌখিক) ক্লাস শেষের নির্ধারিত তারিখের পূর্বে সম্পন্ন হবে। সমন্বিত তত্ত্বীয় চূড়ান্ত পরীক্ষা সমূহ অংকন ও নির্মাণ পরীক্ষাসমূহের পূর্বে অনুষ্ঠিত হবে।